Madhyamik life science suggestion short typoe questions.
Madhyamik life science suggestion. Most important questions for madhyamik life science exam.
![]() |
| Madhyamik Life Science Suggestion |
❒ মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২১
● অধ্যায় সমূহ :- প্রথম - তৃতীয়
❍ প্রশ্নের মান - ২
❒ বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন (প্রতিটি প্রশ্নের মান-২)
।। প্রথম অধ্যায় ।।
❐ জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় ❐
1. চলন বা সঞ্চালন কাকে বলে ?
ans. যে প্রক্রিয়ায় জীব স্বতঃস্ফুর্তভাবে বা কোনো উদ্দীপকের প্রভাবে দেহের কোনো অংশ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঙ্গালন করে তাকে চলন বা সঞ্চালন বলে ।
2. ট্রপিক ও ট্যাকটিক চলনের মূল পার্থক্য কী ?
ans. ট্রপিক চলনে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয় না, ট্যাকটিক চলনে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয়।
3. জিওট্রপিক চলন কাকে বলে?
ans. উদ্ভিদ অঙ্গের চলন যখন অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে জিওট্রপিক চলন বলে । যেমন— উদ্ভিদের মূল অভিকর্ষের টানে মাটির গভীরে প্রবেশ করে ।
4. প্রাণীদের গমনের দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো ।
ans. প্রাণীদের গমনের দুটি উদ্দেশ্য হল- (i) খাদ্য অন্বেষণের জন্য প্রাণীদের গমন হয় । (ii) বাসস্থান খোঁজার জন্য প্রাণীদের গমন হয় ।
5. সিলিয়ারি গমন কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
ans. সিলিয়ার আন্দোলনের সাহায্যে যে গমন তাকে সিলিয়ারি গমন বা সিলিয়ারি গতি বলে| যেমন -প্যারামিসিয়ামের গমন ।
6. মাছের গমনে পুচ্ছ পাখনার ভূমিকা কী ?
ans. পুচ্ছ পাখনা গমনকালে মাছকে দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে ।
7. মানুষের গমনকালে ভারসাম্য রক্ষা করে কোন কোন অঙ্গ ?
ans. মানুষের গমনকালে লঘুমস্তিষ্ক এবং কর্ণের অর্ধচন্দ্রাকার নালি ও অটোলিথ যন্ত্র দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে ।
8. সচল অস্থিসন্ধি কাকে বলে? উদাহরণ দাও ।
ans. দুটি অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে । যে সব অস্থিসন্ধি নড়াচড়া করতে পারে তাদের সচল অস্থিসন্ধি বলে। যেমন-হিপ সন্ধি, হাঁটু সন্ধি।
9. কব্জা সন্ধি কাকে বলে ? একটি উদাহরণ দাও।
ans. একটি অস্থির গোল প্রান্ত যখন অপর একটি অস্থির অর্ধগোলাকার অবতল অঙ্গে যুক্ত থাকে, তখন তাকে কব্জা সন্ধি বলে। হাঁটু সন্ধি, কনুই সন্ধি এই প্রকারের সন্ধি ।
10. হরমোন ও উৎসেচকের দুটি পার্থক্য কী ?
ans. (i) হরমোন ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, কিন্ত উৎসেচক ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না। (ii) হরমোন অন্তঃক্ষরা কোশ থেকে নিঃসৃত হয়। কিন্তু উৎসেচক বহিঃক্ষরা কোশ থেকে ক্ষরিত ।
11. হরমোনের দুটি কাজ উল্লেখ করো ।
ans. (1) হরমোন জীবদেহের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। (2) হরমোন জীবদেহে যৌন লক্ষণ প্রকাশে সাহায্য করে।
12. হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলে কেন ?
ans. হরমোন কোশে কোশে রাসায়নিক বার্তা বহন করে তাই হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলে।
13. সাইটোকাইনিনের দুটি কাজ বা ভূমিকা উল্লেখ করো ।
ans. (i) সাইটোকাইনিন অগ্রমুকুলের বৃদ্ধির হ্রাস ঘটিয়ে পার্শ্বীয় মুকুলের বৃদ্ধি ঘটায়। (ii) পত্রমোচন বিলম্বিত করে এবং ক্লোরোফিল বিনষ্টকরণ প্রতিহত করে।
14. উদ্ভিদের একটি প্রকল্পিত হরমোনের নাম ও তার কাজ উল্লেখ করা ।
ans. উদ্ভিদের একটি প্রকল্পিত হরমোন হল ফ্লোরিজেন। এটি ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।
15. অক্সিনের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো ।
ans. (1) অক্সিনের প্রবাহ সবসময় মেরুবর্তী (1) অক্সিনের ক্রিয়া অন্ধকারে ভালো হয়।
16. জিব্বেরেলিনের প্রধান কাজ কী ?
ans. জিব্বেরেলিনের প্রধান কাজগুলি হল খর্বাকার উদ্ভিদের বৃদ্ধি, কাক্ষিক মুকুলের পরিস্ফুটন এবং বীজের সুপ্ত অবস্থা ভঙ্গ করতে সাহায্য করা।
17. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কাকে বলে ? একটি উদাহরণ দাও ।
ans. যে স্থির ক্ষরিত বস্তু নালিপথের মাধ্যমে বাইরে আসে না, সরাসরি রক্তে মিশে যায়, তাকে অন্তঃক্ষরা বা অনাল গ্রন্থি বলে। যেমন পিটুইটারি, থাইরয়েড।
18. হরমোন উৎপাদক গ্রন্থিকে অনাল গ্রন্থি বলে কেন ?
ans. হরমোন উৎপাদক গ্রন্থির কোনো নালি থাকে না, ফলে এই গ্রন্থির ক্ষরিত রস (হরমোন) গ্রন্থিকলার বাইরে আসতে পারে তাই হরমোন উৎপাদক গ্রন্থিকে অনাল গ্রন্থি বলে।
19. প্রাণী হরমোনের ধর্ম কীরূপ ?
ans. হরমোন প্রোটিনধর্মী বা স্টেরয়েডধর্মী বা অ্যামাইনোধর্মী।
20. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির অপর নাম কী ? এটি কোথায় অবস্থিত ?
ans. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির অপর নাম সুপ্ৰারেনাল গ্রন্থি। এটি বুকের ওপর অবস্থিত।
21. হাইপো ও হাইপারগ্লাইসিমিয়া কাকে বলে ?
ans. রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক অপেক্ষা কমে গেলে তাকে হাইপোগ্লাইসিমিয়া এবং শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি হলে তাকে হাইপারগ্লাইসিমিয়া বলে।
22. কখন মূত্রের সঙ্গে শর্করা নির্গত হয় ? ওই অবস্থাকে কী বলে ?
ans. যখন 100 সিসি রক্তে শর্করার পরিমাণ 18০ মিগ্রা হয়, তখন মূত্রের সঙ্গে শর্করা নির্গত হয় ওই অবস্থাকে গ্লুকোসুরিয়া বলে।
23. নিওপ্লুকোজেনেসিস বা গ্লুকোনিওজেনেসিস কাকে বলে ?
ans. করা ছাড়া প্রোটিন, ফ্যাট ইত্যাদি উপাদান থেকে গ্লাইকোজেন বা গ্লুকোজ উৎপাদনকে নিওপ্লুকোজেনেসিস বা গ্লুকোনিওজেনেসিস বলে।
24. অগ্ন্যাশয়কে মিশ্রগ্রন্থি বলার কারণ কী ?
ans. অগ্ন্যাশয় সনাল ও অনাল উভয় প্রকার গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় একে মিশ্রগ্রন্থি বলা হয়।
25. শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত একটি করে হরমোনের নাম ও তাদের কাজ উল্লেখ করো ।
ans. শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন টেস্টোস্টেরন, যা পুরুষদেহে গৌণ যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইস্ট্রোজেন, যা নারীদেহে গৌণ যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।
26. অ্যাড্রিনালিনের উৎস ও কাজ উল্লেখ করো ।
ans. অ্যাড্রিনালিন অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির মেডালা থেকে নিঃসৃত হয়। খাড়া হতে সাহায্য করে। এই হরমোন অণুর গ্রন্থির ক্ষরণ বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের রোম খাড়া হতে সাহায্য কর।
27. শুক্রাশয় কোথায় অবস্থিত ?
ans. শুক্রাশয় পুরুষ মানুষের দেহগহ্বরের বাইরে ফ্লোটাম নামক থলির মধ্যে অবস্থিত।
28. ADH-এর পুরো নাম উৎস ও কাজ উল্লেখ করো ।
ans. ADH- এর পুরো নাম অ্যান্টি ডাইইউরেটিক হরমোন। এর উৎস পিটুইটারির পশ্চাদভাগ। এটি বৃক্কীয় নালির পুনঃশোষণে। সহায়তা করে।
29. মিশ্র স্নায়ু কাকে বলে ? এর উদাহরণ কী ?
ans. যে স্নায়ু সেনসরি ও মোটর উভয় নিউরোন দিয়ে গঠিত, তাকে মিশ্র স্নায়ু বলে। যেমন—ভেগাস স্নায়ু ।
30. স্নায়ুর কাজ কী ?
ans. স্নায়ুর কাজ হল-(i) রিসেপটর বা গ্রাহক থেকে উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রেরণ করা এবং (ii) কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে সাড়াকে কারক অঙ্গে প্রেরণ করা ।
31. সহযোগী নিউরোন কাকে বলে? এটি কোথায় অবস্থিত ?
ans. যে নিউরোন সেনসরি ও মোটর নিউরোনের মধ্যে সংযোগসাধন করে, তাকে সহযোগী নিউরোন বলে। এই প্রকার নিউরোন কেবল সুষুম্নাকাণ্ডে থাকে।
32. অ্যাক্সন হিলক কাকে বলে ?
ans. অ্যাক্সনটি কোশদেহের যে অংশে সংযুক্ত থাকে সেই অংশটিকে অ্যাক্সন হিলক বলে। এই অংশে মায়েলিন সিদ এবং নিউরিলেমা থাকে না ।
33. অ্যাক্সনের আবরণীগুলি কী কী ?
ans. অ্যাক্সনের আবরণীগুলি হল—অ্যাক্সোলেমা, মায়েলিন সিদ বা মেডুলারি আবরণ এবং নিউরিলেমা ।
34. স্নায়ুগ্রন্থি কাকে বলে ? এর কাজ কী কী ?
ans. কয়েকটি স্নায়ুকোশের কোশদেহগুলি মিলিত হয়ে যে গ্রন্থি গঠন করে, তাকে স্নায়ুগ্রন্থি বলে । স্নায়ু সৃষ্টি করা এর প্রধান কাজ ।
35. স্নায়ুসন্ধির কাজ কী?
ans. পূর্ববর্তী নিউরোন থেকে স্নায়ু-সংবেদকে পরবর্তী নিউরোনে পৌছে দেওয়া স্নায়ুসন্ধির কাজ ।
36. সহজাত ও অভ্যাসমূলক প্রতিবর্ত বলতে কী বোঝো?
ans. যেসব প্রতিবর্ত বংশগত সূত্রে পূর্বপুরুষ থেকে প্রাপ্ত, তাদের সহজাত প্রতিবর্ত এবং যেসব প্রতিবর্ত জন্মের পর অনুশীলন বা অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত হয়, তাকে অভ্যাসমূলক প্রতিবর্ত বলে
37. গুরুমস্তিষ্কের কাজ কী ?
ans. গুরুমস্তিষ্ক প্রাণীদের বুদ্ধি, চিন্তা, স্মৃতি, দর্শন, ঘ্রাণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে ।
38. সুষুম্নাশীৰ্ষকের কাজ কী ?
ans. সুষুম্নাশীর্ষক প্রাণীদের হৃদস্পন্দন, শ্বাসক্রিয়া, ঘাম নিঃসরণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে ।
39. করপাস ক্যালোসাম কাকে বলে ?
ans. গুরুমস্তিষ্কের গোলার্ধদ্বয় যে স্নায়ু-যোজক দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাকে করপাস ক্যালোসাম বলে ।
40. কোল্যাটারাল কাকে বলে ?
ans. অ্যাক্সনের র্যানভিয়ারের পর্ব থেকে অনেক সময় সূক্ষ্ম শাখা নির্গত হয়, অ্যাক্সনের এরূপ শাখাকে কোল্যাটারাল বলে ।
41. প্রতিবর্ত ক্রিয়ার দুটি উদাহরণ দাও।
ans. (i) চোখে তীব্র আলো পড়লে তারারন্ধ্র সংকুচিত হয়। (ii) খাদ্যের দর্শনে বা ঘ্রাণে লালা নিঃসরণ হওয়া।
42. জন্মগত প্রতিবর্ত কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।
ans. যে সব প্রতিবর্ত পুর্বপুরুষ থেকে প্রাপ্ত এবং কোনো শর্তের অধীন নয়, তাদের জন্মগত প্রতিবর্ত বলে। যেমন- জন্মের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর স্তনপানের ইচ্ছা ।
43. জ্ঞানেন্দ্রিয় কাকে বলে?
ans. প্রাণীদের যে সব গ্রাহক অঙ্গ পরিবেশ থেকে বিশেষ বিশেষ উদ্দীপনা গ্রহণ করে নির্দিষ্ট স্নায়ুর মাধ্যমে স্নায়বিক কেন্দ্রে পাঠিয়ে সেখানকার নির্দেশ পালন করে, তাদের জ্ঞানেন্দ্রিয় বলে ।
44. চক্ষুর প্রতিসারক মাধ্যমগুলি কী কী ?
ans. চক্ষুর প্রতিসারক মাধ্যমগুলি হল— কর্নিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমর, লেন্স, ভিট্রিয়াস হিউমর ।
45. অশ্রুতে কী এনজাইম থাকে ? এর কাজ কী ?
ans. অশ্রুতে লাইসোজাইম নামক এনজাইম থাকে। এই এনজাইম ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ।
46. রেটিনা কাকে বলে ? এর কাজ কী ?
ans. অক্ষিগোলকের একেবারে ভিতরের দিকে অবস্থিত স্নায়ুকোশ দিয়ে গঠিত স্তরটিকে রেটিনা বলে। রেটিনাতে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।
47. দ্বিনেত্র দৃষ্টি কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
ans. যখন দুটি চোখ দিয়ে একসঙ্গে একই বস্তুর প্রতিবিম্ব দেখা যায় তাকে দ্বিনেত্র দৃষ্টি বলে। যেমন—মানুষ, পেঁচা ইত্যাদি।
48. মায়োপিয়া কাকে বলে? কীভাবে এর ত্রুটি দূর করা যায়?
ans. যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয়, কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকে তাকে মায়োপিয়া বলে । অবতল লেন্স যুক্ত চশমা ব্যবহার করলে এই ত্রুটি দূর হয় ।
49. প্রেসবায়োপিয়া কাকে বলে ? কীভাবে এই ত্রুটি দূর করা যেতে পারে ?
ans. 40 বছর এবং তার বেশি বয়সের লোকদের লেন্স এর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কাছের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখতে পায় না । বাইফোকাল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করলে এই ত্রুটি দূর হয় ।
।। দ্বিতীয় অধ্যায় ।।
▧ জীবনের প্রবাহামানতা ▧
1. অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ?
Ans. যে সরলতম প্রক্রিয়ায় কোনো জনিতৃ কোশ নিউক্লিয় পর্দার অবলুপ্তি না ঘটিয়ে ক্রোমোজোম ও বেমতন্তু গঠন করে ব্যাতিরেকে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বলে।
3. মাইটোসিস কাকে বলে ?
Ans. যে জটিল ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় কোনো দেহ-মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম একবার মাত্র বিভাজিত হয়ে সম আকৃতি, সমগুণ ও সমসংখ্যক ক্রোমোজোমসহ দুটি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে, তাকে মাইটোসিস বলে ।
4. মাইটোসিস ও মিয়োসিসের দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো
Ans. (i) মাইটোসিস দেহ মাতৃকোশে ঘটে, মিয়োসিস জনন মাতৃকোশে ঘটে।(ii) মাইটোসিস কোশ বিভাজনে মাতৃকোশ ও অপত্য কোশের ক্রোমোজোম সংখ্যা একই থাকে। মিয়োসিস কোশবিভাজনে মাতৃকোশের ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়।
5. বাইভ্যালেন্ট বা ডায়াড কাকে বলে ?
Ans. জোটবদ্ধ সমসংস্থ ক্রোমোজোমদ্বয়কে বাইভ্যালেন্ট বা ডায়াড বলে ।
6. মিয়োসিস কোশবিভাজন কোথায় ঘটে ?
Ans. মিয়োসিস রেণুমাতৃকোশ ও জনন মাতৃকোশে ঘটে ।
7. অযৌন জনন কাকে বলে ?
ans. যে জনন পদ্ধতিতে গ্যামেট উৎপাদন ছাড়াই জনিতৃ জীবের দেহকোশ বিভাজিত হয়ে অথবা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে অযৌন জনন বলে।
8. কোন প্রাণী রেণুর সাহায্যে বংশবিস্তার করে ?
ans. অ্যামিবা বহুবিভাজনের সময় সিউডোপোডিওরেণুর সাহায্যে বংশবিস্তার করে।
9. যৌন জনন কাকে বলে ?
ans. যে জনন প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোশ-এর মিলনে অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে যৌন জনন বলে।
10. পরাগযোগ কাকে বলে ?
ans. ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু সেই ফুলের বা সেই জাতীয় অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হলে, তখন তাকে পরাগযোগ বলে।
11. স্বপরাগযোগ ও ইতরপরাগযোগের দুটি পার্থক্য দেখাও।
ans. (i) স্বপরাগযোগ সাধারণত একই ফুলে ঘটে, কিন্তু ইতর পরাগযোগ ভিন্ন ফুলে ঘটে। (ii) স্বপরাগযোগে বাহকের প্রয়োজন হয় না, কিন্তু ইতর পরাগযোগে বাহকের প্রয়োজন হয়।
13. ক্রসিং ওভার কাকে বলে?
Ans. মিয়োসিসের -1 এর প্রোফেজ .1-এর প্যাকাইটিন উপদশায় সমসংস্থ ক্রোমোজোমদ্বয়ের নন-সিস্টার ক্রোমাটিড দুটির মধ্যে কায়াজমা (X-এর মতো গঠন)গঠিত হয় এবং ক্রোমোজোমের দেহাংশের বিনিময় সম্পন্ন হয়। একে ক্রসিং ওভার বলে।
14. ক্রোমোজোমের দু'টি কাজ লেখো।
Ans. (i) ক্রোমোজোমে বংশগত পদার্থ অর্থাৎ জিন অবস্থান করে।
(ii) ক্রোমোজোম কোশের সমস্ত শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
।। তৃতীয় অধ্যায় ।।
▧ বংশগতি ও জিনগত রোগ ▧
1. জিনতত্ত্ব বা সুপ্রজননবিদ্যা কাকে বলে ?
Ans. বংশগতিসংক্রান্ত বিজ্ঞানকে জিনতত্ত্ব বা সুপ্রজননবিদ্যা বলে।
2. মেন্ডেলবাদ কাকে বলে ? তার সূত্র দুটি কী কী ?
Ans. মেন্ডেলের আবিষ্কৃত মৌলিক সূত্র বা তত্ত্বগুলিকে এককথায় মেন্ডেলবাদ বলা হয়। মেন্ডেলের সূত্র দুটি হল— (i) পৃথকভবনের সূত্র, (ii) স্বাধীন সঞ্চারণের সূত্র।
3. অ্যালিল বা অ্যালিলোমর্ফ কাকে বলে ?
Ans. সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট বিন্দুতে অবস্থিত বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রক উপাদানের এক-একটিকে অ্যালিল বা অ্যালিলোমর্ফ বলে। যেমন- লম্বা ও বেঁটে, কালো ও সাদা।
4. মেন্ডেলের সাফল্য লাভের দুটি কারন উল্লেখ করো ।
Ans. (i) মেন্ডেলের সংকরায়ন পরীক্ষাকালে একজোড়া বা দুজোড়া বিপরীতধর্মী চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিয়ে পরীক্ষা করিয়েছিলেন তাই পরীক্ষা সফল হয়েছিল। (ii) মেন্ডেল প্রতিটি পরীক্ষালব্ধ ফলাফল অন্ততপক্ষে তিনটি বংশানুক্রম পর্যন্ত লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন ফলে সূত্র নির্ধারন করা সহজ হয়েছিল ।
5. প্রলক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য কী ?
Ans. যে সব লক্ষণ দেখে জীবকে শনাক্ত করা যায় তাদের বৈশিষ্ট্য বা প্রলক্ষণ বলে।
6. একসংকর জনন কাকে বলে ?
Ans. একজোড়া বিপরীত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একই প্রজাতির দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটানোকে একসংকর জনন বা মনোহাইব্রিড ক্রস বলে।
7. থ্যালাসেমিয়ার কারন কী ?
Ans. জিনগত ত্রুটির জন্য যখন হিমোগ্লোবিন পলিপেপটাইড শৃঙ্খল উৎপন্ন হয় না তার ফলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়, তখন থ্যালাসেমিয়া রোগ হয়।
8. অসম্পূর্ণ প্রকটতা কী ? কোন উদ্ভিদে এরকম ঘটনা দেখা যায় ?
Ans. একটি প্রকট ও একটি প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যযুক্ত দুটি জীবের সংকরায়ণ ঘটালে কোনো বৈশিষ্ট্যটিই প্রকটভাবে প্রকাশ পায় না, বরং কোনো মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, তাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে। যেমন-সন্ধ্যামালতি গাছের লাল ও সাদা ফুলের পরাগযোগ ঘটালে প্রথম অপত্য জনুতে সব গোলাপি ফুল বিশিষ্ট গাছ জন্মায়। এখানে ‘গোলাপি’ রং অসম্পূর্ণ প্রকটতার প্রকাশ।
9. হিমোফিলিয়া কাকে বলে ?
Ans. যে বংশগত রোগের ফলস্বরূপ মানবদেহে আঘাতপ্রাপ্ত থান (ক্ষত,কাটা স্থান) থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না, অর্থাৎ রক্ত তঞ্চিত হয় না তাকে হিমোফিলিয়া বলে।
10. RrYy সংকর জীবে কত প্রকারের গ্যামেট উৎপন্ন হয় ?
Ans. চার প্রকারের গ্যামেট উৎপন্ন হয়। যথা- RY, Ry, rY ও ry
❐ কেন আমাদের সাজেশন গুরুত্বপূর্ণ?
❍ আমদের সাজেশনের বৈশিষ্ট্য ❍
১) ৯০% প্রশ্ন কমন ।
২) অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নের সংযোজন ।
৩) প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর আলোচনা
৪) টেস্ট ও ফাইনালের নমুনা প্রশ্নপত্র ।
৫) বিগত বছরের প্রশ্নপত্র ।
৬) অনলাইন টেস্ট এর সুবিধা।
৭) মক্ টেস্ট এর প্রশ্নপত্র ।
৮) অনুশীলনীর সমাধান ।
৯) প্রতিদিন এর অনুশীলনীর অভ্যাস
১০) "To The Point " এ উত্তর।
⬤ WBBSE MADHYAMIK SUGGESTION PROBABILITY.
❍ Upto 90% questions will be in Madhyamik exam.
❍ We suggest this suggestion to carry good marks in Madhyamik 2021 history examination.
Contact Us:-
মাধ্যমিক 2021 পরীক্ষা প্রস্তুতির জন্য সমস্ত বিষয়ের সাজেশান্ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কল করুন উল্লিখিত নম্বরে ।
❐ 7550814404
shubhadipmvv@gmail.com
❐ Thanks for visiting our website. ❐
